ওয়েব অ্যাপ মানে যে সাইট শুধু দেখায় না, কাজও করে
সাধারণ একটা ওয়েবসাইট আপনার পরিচয় দেয়: এই আমাদের নাম, এই ঠিকানা, এই কয়েকটা ছবি। একটা ওয়েব অ্যাপ কাজ করে।
!বিল্ডারে খোলা একটা দোকানের সাইট, ডান পাশে অর্ডার ফর্মসহ প্রিভিউ
- হিসাব কষে, ফর্ম নেয়, খুঁজে দেয়, ছেঁকে দেয়, চার্ট আঁকে, তালিকা সাজায়, প্রিন্টের কাগজ বের করে।
- পার্থক্য এইটুকুই, আর এইটুকুর জন্যই একটা প্রতিষ্ঠান রোজ সকালে সাইটটা খোলে, বছরে একবার নয়।
BanglaCodes-এ বানানো সাইট ভিজিটরের নিজের ব্রাউজারে চলে। মানে ব্রাউজারে যা যা হতে পারে, তার সবই এখানে হয়:
- যোগ বিয়োগ, শর্ত মিলিয়ে সিদ্ধান্ত, তালিকা সাজানো, সার্চ, ফিল্টার, ক্যালেন্ডার, গ্রাফ, টেবিল, কুইজ, গেম, প্রিন্ট।
- কিছু নামাতে হয় না, ফোনের জায়গা নেয় না, পুরোনো সস্তা ফোনেও খোলে।
- ফেসবুকে একটা লিংক দিলে যিনি চাপ দিবেন তিনি সাথে সাথেই ভেতরে, কোনো ইনস্টলের অপেক্ষা নেই।
মোবাইল অ্যাপের কথা পরে ভাবলেও চলে, বরং সেটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আগে ওয়েব অ্যাপটা চালু করুন, মানুষ ব্যবহার করুক, ভুলগুলো বেরিয়ে আসুক। পরে ওই একই অ্যাপ ফোনের হোম স্ক্রিনে বসিয়ে নেওয়া যায়।
নিচে সাজানো আছে কে কী বানাতে পারেন। নিজের ঘরটা খুঁজে নিন, তারপর দরকারি লাইনটা বিল্ডারে বাংলাতেই বলে দিন।
দোকান আর ছোট ব্যবসার জন্য
- অর্ডার ফর্ম: ক্রেতা নাম, মোবাইল, ঠিকানা আর কী কিনতে চান লিখে পাঠাবেন।
- জমাটা আপনার সাইট ড্যাশবোর্ডের ইনবক্সে বসে আর email-এ খবর যায়। এর জন্য নিজের ডোমেইনে হোস্টিং লাগে, দিনে ২৫টা পর্যন্ত, Business-এ ১০০টা।
- প্রোডাক্টের ক্যাটালগ: ভাগে ভাগে সাজানো প্রোডাক্ট, উপরে সার্চ বাক্স, পাশে দাম বা ভাগ ধরে ফিল্টার। ফ্রি প্ল্যানেই হয়।
- দাম বা ডেলিভারি চার্জের ক্যালকুলেটর: ক্রেতা জেলা আর ওজন বাছবেন, মোট টাকাটা সাথে সাথে বদলাবে। কোনো সার্ভার লাগে না।
- QR মেনু: কাউন্টারে বা টেবিলে রাখা QR কোডে ক্যামেরা ধরলেই আজকের দামসহ তালিকা খুলবে।
- দাম বদলাতে ছাপাখানায় যেতে হয় না, বিল্ডারে এক লাইন বললেই হয়।
আমার হার্ডওয়্যারের দোকানের জন্য একটা ক্যাটালগ পেজ বানাও, উপরে সার্চ বাক্স আর ভাগ ধরে ফিল্টার, আর নিচে একটা ডেলিভারি চার্জের ক্যালকুলেটর যেখানে ঢাকার ভিতরে আর বাইরে আলাদা হিসাব হবে।
সেবার ব্যবসার জন্য
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বুকিংয়ের অনুরোধ: ভিজিটর তারিখ, সময়ের ভাগ আর নিজের নম্বর দিয়ে অনুরোধ পাঠাবেন।
- এটা অনুরোধ, নিজে থেকে হয়ে যাওয়া বুকিং নয়: কোন সময়টা আগেই কেউ নিয়েছেন সাইট তা জানে না, আপনি ইনবক্স দেখে নিশ্চিত করবেন।
- ফর্মটা কাজ করাতে নিজের ডোমেইনে হোস্টিং লাগে।
- কোটেশন বানানোর টুল: কাজের ধরন আর পরিমাণ বসালেই সাইট হিসাব করে একটা কোটেশন দেখাবে, নিচে প্রিন্ট বাটন।
- ক্লায়েন্ট চাইলে সেটা PDF করে রেখে দিতে পারবেন। ফ্রি প্ল্যানেই চলে।
- সেবার এলাকা যাচাই: ভিজিটর নিজের থানা বা এলাকার নাম লিখবেন, সাইট বলে দিবে ওখানে আপনি সেবা দেন কি না, না দিলে কাছাকাছি কোথায় দেন।
- একই প্রশ্নের উত্তর ফোনে দিনে বিশবার দিতে হবে না।
অফিস আর কোম্পানির জন্য
- ছুটি বা খরচের আবেদন ফর্ম: কর্মী ফর্ম পূরণ করবেন, আবেদন সোজা ইনবক্সে জমা হবে আর email-এ খবর যাবে।
- নতুন, দেখা আর শেষ, এই তিন ধাপে গুছিয়ে রাখা যায়। নিজের ডোমেইনে হোস্টিং লাগে।
- ভেতরের ছোট ক্যালকুলেটর: কমিশন, ওভারটাইম, ভ্যাট বা ইউনিট কনভার্সন, রোজ যা Excel খুলে করতে হয়, সেটা একটা পেজে বসিয়ে দিন।
- যিনি ব্যবহার করবেন তাঁকে কোনো ফাইল খুলতে হবে না, লিংকই যথেষ্ট।
- কর্মীদের তালিকা: নাম, পদ, বিভাগ আর কল করার বাটন, উপরে সার্চ বাক্স। নতুন কেউ যোগ দিলে এক লাইন বলে বসিয়ে নিন।
- প্রিন্ট করার ইনভয়েস বা চালান: ঘরগুলো ভরে প্রিন্ট চাপলেই কাগজে ঠিকঠাক বসে যায়, বা PDF হয়ে যায়। নম্বর, তারিখ আর মোট টাকা সাইট নিজেই বসিয়ে দেয়।
- রেট চার্ট বা মূল্য তালিকা: সেবা আর পণ্যের দাম এক পেজে, সার্চসহ। দাম বদলালে বলে দিলেই বদলায়, নতুন করে ছাপাতে হয় না।
আমাদের অফিসের জন্য একটা ছুটির আবেদন ফর্ম বানাও, তাতে নাম, বিভাগ, ছুটির ধরন, শুরু আর শেষের তারিখ আর কারণ থাকবে, আর ফর্মটা যেন সাইটের ফর্ম হিসেবে কাজ করে।
স্কুল, মাদ্রাসা আর কোচিং সেন্টারের জন্য
- ভর্তির ফর্ম: অভিভাবক ফোনেই পূরণ করবেন, আবেদন ইনবক্সে জমা হবে, আপনি পরে CSV ফাইলে নামিয়ে নিতে পারবেন। নিজের ডোমেইনে হোস্টিং লাগে।
- ক্লাসের রুটিন: শ্রেণি বাছলেই ওই শ্রেণির রুটিন দেখাবে, ফোনে পড়ার মতো বড় লেখায়। ফ্রি প্ল্যানেই চলে।
- ফল বা বেতনের হিসাব দেখা: ছাত্র রোল নম্বর লিখবে, তার নিজের সারিটা দেখাবে।
- তথ্যটা পেজের ভেতরেই থাকে, তাই নোটিশ বোর্ডে টাঙাতে যা আপত্তি নেই কেবল সেটাই এখানে রাখুন।
- কুইজ বা মডেল টেস্ট: প্রশ্ন, চারটা করে অপশন, শেষে নম্বর আর কোনটা ভুল হলো তার ব্যাখ্যা। ছাত্র যতবার খুশি দিতে পারবে।
- সিলেবাস আর নোটিশের পেজ: কোন শ্রেণিতে কী পড়ানো হচ্ছে, পরীক্ষার তারিখ, ছুটির তালিকা। এক জায়গায় থাকলে অভিভাবকের ফোন কম আসে।
সরকারি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ, হাসপাতাল আর সমিতির জন্য
- নাগরিকের অভিযোগ বা আবেদন ফর্ম: নাম, মোবাইল, ঠিকানা আর বিষয় লিখে পাঠাবেন, জমাটা ইনবক্সে বসবে আর email-এ খবর যাবে।
- কে কবে পাঠালেন সবই লেখা থাকে, তাই কাগজ হারানোর ভয় নেই। নিজের ডোমেইনে হোস্টিং লাগে।
- নোটিশ বোর্ড: নতুন নোটিশ উপরে, পুরোনোগুলো নিচে, সাথে তারিখ।
- Business হোস্টিং থাকলে ড্যাশবোর্ড থেকেই নতুন নোটিশ লিখে সেভ চাপলে লাইভ, বিল্ডার খোলারও দরকার নেই।
- ডাউনলোড করার ফর্মের তালিকা: আবেদন, ছাড়পত্র বা নবায়নের কাগজগুলো PDF হিসেবে এক পেজে সাজানো। সেবাপ্রার্থী ঘরে বসে নামিয়ে পূরণ করে আসবেন।
- অফিসের কর্মকর্তাদের তালিকা: কোন কাজ কার কাছে, কোন কক্ষে, ফোন নম্বরসহ, উপরে সার্চ। একটা লাইনে কল বাটন দিলে ফোন করাও সহজ।
- সেবার ফি আর সময়ের চার্ট: কোন সেবার সরকারি ফি কত আর কত দিনে হয়, পরিষ্কার টেবিলে। দেয়ালে টাঙানো কাগজটা যা বলে, সাইটও ঠিক তাই বলুক।
ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটা সাইট বানাও: উপরে নোটিশ বোর্ড, তারপর সেবার ফি আর কত দিনে হয় তার চার্ট, কর্মকর্তাদের তালিকা কল বাটনসহ, আর নিচে নাগরিকের অভিযোগ জানানোর একটা সাইট ফর্ম।
!ফোনে খোলা একই সাইট, আলাদা কিছু করতে হয় না
কোন জিনিসটার জন্য কী লাগে
উপরের সবগুলো এক টেবিলে। বেশিরভাগ কাজ ফ্রি প্ল্যানেই হয়ে যায়; টাকা লাগে কেবল তখন, যখন সাইটটাকে আপনার নিজের ঠিকানায় নিতে চান বা ফর্মের জমা সত্যি সত্যি আপনার কাছে আনতে চান।
| যা বানাবেন | কোথায় চলে | কী লাগবে |
| হিসাব, ক্যালকুলেটর, চার্ট | ভিজিটরের ব্রাউজারে | ফ্রি প্ল্যান |
| সার্চ, ফিল্টার, তালিকা, টেবিল | ভিজিটরের ব্রাউজারে | ফ্রি প্ল্যান |
| প্রিন্টের ইনভয়েস, চালান, কোটেশন | ভিজিটরের ব্রাউজারে | ফ্রি প্ল্যান |
| QR মেনু, নোটিশ বোর্ড, রুটিন | ভিজিটরের ব্রাউজারে | ফ্রি প্ল্যান |
| ফোনে বসানো অ্যাপ (PWA) | নিজের ডোমেইনে | লাইফটাইম হোস্টিং ৳৬,৯৯৯ |
| ফর্মের জমা ইনবক্সে, email-এ খবর (দিনে ২৫টা) | আমাদের সার্ভারে | লাইফটাইম হোস্টিং ৳৬,৯৯৯ |
| দিনে ১০০টা জমা, ব্লগ আর বাড়তি পেজ, নিজের কোড | আমাদের সার্ভারে | Business ৳১৪,৪৯৯ |
| ক্রেতাকে SMS, কুরিয়ারের অর্ডার ফাইল | আমাদের সার্ভারে | Commerce ৳২৩,৯৯৯ |
কোন অ্যাপটাকে পেশাদার মনে হয়
দামি ডিজাইন নয়, ছোট পাঁচটা জিনিস মানুষকে বুঝিয়ে দেয় যে প্রতিষ্ঠানটা গোছানো।
- এক বুড়ো আঙুলে চলে: বাসে দাঁড়িয়ে এক হাতে ফোন ধরে যেন পুরো কাজটা শেষ করা যায়। দরকারি বাটনগুলো পর্দার নিচের দিকে রাখতে বলুন।
- চোখের পলকে খোলে: ভারী ছবি আর অকারণ অ্যানিমেশন বাদ দিতে বলুন। গ্রামের দুর্বল নেটে যে সাইট দশ সেকেন্ড ঘোরে, সেটা কেউ দ্বিতীয়বার খোলে না।
- বাটন বড়, লেখা বড়: ছোট লিংকের বদলে চওড়া বাটন চান, আর লেখা এত বড় যেন চশমা ছাড়া পড়া যায়। বয়স্ক সেবাপ্রার্থীর কথা মাথায় রাখুন।
- বাংলাটা মুখের ভাষার মতো: অফিসের ভারী বাংলা নয়, মানুষ যেভাবে বলে সেভাবে লিখতে বলুন। বাটনে সাবমিট নয়, আবেদন পাঠান।
- প্রতি পর্দায় পরের ধাপটা পরিষ্কার: ভিজিটর যেন কখনো ভেবে না বসেন এরপর কী। ফর্ম পাঠানোর পর কী হবে, কতদিনে উত্তর আসবে, সেটাও লিখে দিন।
যা পারে না, সোজা কথায়
সীমাগুলো আগে জানা ভালো, কারণ প্রথম চেষ্টায় ধাক্কা খাওয়ার চেয়ে আগে জেনে নেওয়া সহজ।
- সার্ভারে কোনো কোড চলে না: PHP, WordPress, WooCommerce, Node, Python বা কোনো ডেটাবেস এখানে বসবে না। যা চলে তা ভিজিটরের ব্রাউজারেই চলে।
- সবার জন্য এক ডেটাবেস নেই: অ্যাপ যা মনে রাখে তা ওই এক ফোনেই থাকে। দোকানের ফোনে তোলা হিসাব ম্যানেজারের ফোনে দেখা যাবে না।
- ভিজিটরের লগইন নেই: ইউজারের account বানিয়ে একেকজনকে একেক জিনিস দেখানো যায় না। কোনো কিছু গোপন রাখতে হলে সেটা পেজে না রাখাই একমাত্র উপায়।
- পেজের ভেতরেই কার্ডে টাকা নেওয়া যায় না: ক্যাশ অন ডেলিভারি, bKash বা Nagad নম্বর, অথবা নিজের গেটওয়ের পেমেন্ট লিংক, এই পথগুলো খোলা আছে।
সীমা মানে কাজ আটকে যাওয়া নয়। বাংলাদেশের বেশিরভাগ দোকান, অফিস আর দপ্তরের রোজকার দরকার এই সীমার ভিতরেই মিটে যায়, আর যেটুকু বাইরে পড়ে সেটা শুরুতেই জেনে রাখা ভালো।
ভাবনা থেকে লাইভ সাইট, পুরো পথ
- বাংলায় বলুন কী দরকার। শুধু একটা ফর্ম চাই নয়, বরং কে পূরণ করবে, কোন ঘরগুলো থাকবে, পূরণের পর কী হবে, সবটা এক নিঃশ্বাসে বলে ফেলুন।
আমাদের ক্লিনিকের জন্য একটা সিরিয়াল নেওয়ার অ্যাপ বানাও, রোগী নাম, বয়স, মোবাইল আর কোন ডাক্তার দেখাবেন সেটা বেছে অনুরোধ পাঠাবেন, ফর্মটা সাইটের ফর্ম হবে, আর উপরে ডাক্তারদের বসার সময়ের একটা টেবিল থাকবে।
!বিল্ডারে বাংলায় বলা, ডান পাশে সাথে সাথে সাইটটা
- নিজের ফোনে দেখুন। প্রিভিউটা সরু করে ফোনের মাপে আনুন, তারপর শেয়ার লিংকটা নিজের ফোনে খুলে সত্যিকারের আঙুল দিয়ে একবার চালান।
- একবারে একটা কথা বলে ঘষামাজা করুন। বাটন বড় করো, তারিখের ঘরটা উপরে নাও, লেখা আরেকটু বড় করো।
- Publish চাপুন। Publish করতে Pro লাগে, আর ৳১৯৯-এর প্যাকটা (৩৯,৮০০ Token) কিনলেই account Pro হয়ে যায়।
- নিজের ডোমেইন যোগ করুন। প্রতিষ্ঠানের নিজের নামে ঠিকানা থাকলে মানুষ অন্যভাবে দেখে, আর PWA হিসেবে ফোনে বসানোও তখনই কাজ করে।
- নিজের ডোমেইন যোগ হলেই সাইটের ফর্ম কাজ করে: জমাগুলো ড্যাশবোর্ডের ইনবক্সে বসবে আর email-এ খবর যাবে, দিনে ২৫টা পর্যন্ত। বেশি লাগলে Business হোস্টিং নিন।
- যা এখানে খটকা লাগবে, ভিজিটরের কাছেও তাই লাগবে, তাই ফোনে দেখার ধাপটা বাদ দিবেন না।
- ছোট ছোট বদলে ফল ভালো হয়, একবারে দশটা কথা বলবেন না।
- Publish করলে ঠিকানা পাবেন banglacodes.com/site/... এই ধাঁচের।
- লাইফটাইম হোস্টিং ৳৬,৯৯৯, একবার, আজীবন।
- সাইটের ফর্মের বিস্তারিত আলাদা একটা অধ্যায়ে লেখা আছে।
!Publish করার পর নিজের ডোমেইন যোগ করার ঘর
!ফর্মের জমা সত্যি আপনার কাছে আনতে হলে সাইট ড্যাশবোর্ড
নতুনদের যত প্রশ্ন
আমার তো কোডিং জানা নেই, আমি কি এসব বানাতে পারব?
- পারবেন। আপনি কেবল বাংলায় বলবেন কী দরকার, বানানোর কাজটা AI করবে।
- কোড দেখতেও হবে না, ছুঁতেও হবে না।
একটা অ্যাপে কি একসাথে অনেক কিছু রাখা যায়?
- যায়, তবে একবারে নয়। আগে সবচেয়ে দরকারি অংশটা বানিয়ে চালু করুন, মানুষ ব্যবহার করুক, তারপর একটা একটা করে যোগ করুন।
- এভাবে ভুল কম হয়, Token-ও কম লাগে।
কম্পিউটারে দেখতে কেমন লাগবে?
- একই সাইট বড় পর্দায় নিজে থেকেই ছড়িয়ে বসে।
- অফিসের কম্পিউটারে টেবিল আর চার্ট বড় দেখাবে, ফোনে সেগুলোই উপরনিচে সাজানো থাকবে।