কোথায় যাবেন
সাইট ম্যানেজ পাতা খুলে লেখা ও ছবি ট্যাব। পাতাটা কোথায় পাবেন সেটা সাইট ম্যানেজ করুন গাইডে আছে।
উপরের সারিটা আগে দেখুন
লেখার ঠিক উপরে একটা সারি থাকে, "কোথায় যাবেন" লেখা। সাইটে যত ধরনের জিনিস বদলানো যায়, তত বাটন। চাপ দিলে সোজা সেই অংশে চলে যায়, আর আপনি এখন কোন অংশে আছেন সেই বাটনটা কালো হয়ে থাকে।
সাইট বড় হলে এই সারিটাই সময় বাঁচাবে। ছবির জন্য নিচে স্ক্রল করার দরকার নেই, "ছবি" চাপলেই হলো।
এক নম্বর: লোগো আর আইকন
দুটো জিনিস এখানে।
favicon, মানে ব্রাউজারের ট্যাবে যে ছোট ছবিটা দেখায়। "ছবি বেছে নিন" চেপে ফোন বা কম্পিউটার থেকে বাছুন। ছবিটা নিজে থেকেই চৌকো করে কেটে ছোট করে নেওয়া হয়, কারণ ব্রাউজার ওটা মাত্র ষোলো পিক্সেলে আঁকে। লোগো দিলে সবচেয়ে ভালো দেখায়, চওড়া ছবি দিলে দুই পাশ কেটে যাবে।
লোগো, যদি সাইটের উপরে একটা লোগো থাকে। সেটাও এখানেই।
দুই নম্বর: ছবি
সাইটের প্রতিটা ছবির জন্য একটা করে কার্ড। কার্ডে ছবিটা দেখা যায়, নিচে "ছবি বেছে নিন" বাটন, আর তার নিচে ছবিটার ঠিকানা।
ছবি বদলাতে বাটনে চাপুন, ফোনের গ্যালারি বা কম্পিউটারের ফোল্ডার খুলবে, একটা বেছে দিন। বাকিটা নিজে থেকে হয়।
ছবির পাশে আরেকটা ঘর থাকে: ছবিটা কীসের, এক লাইনে। এটা দুই কাজে লাগে। চোখে দেখেন না এমন কেউ সাইটে এলে তাঁর ফোন ওই লাইনটাই পড়ে শোনায়। আর Google ওটা পড়ে বোঝে ছবিটা কীসের, তাই ছবি সার্চেও আসার সুযোগ তৈরি হয়। খালি রাখবেন না।
কার্ডগুলোর নাম আসে ওই লাইনটা থেকেই, তাই লাইনটা লিখে রাখলে পরেরবার কোন ছবিটা কোনটা সেটা এক নজরে বোঝা যায়।
তিন নম্বর: সাইটের রং
সাইট যে কয়টা রঙে বানানো, সেগুলো গোল কোঠায় দেখানো হয়। প্রতিটার পাশে লেখা থাকে কত জায়গায় ব্যবহার হয়েছে, তাই বোঝা যায় কোনটা বাটনের রং আর কোনটা কোনো এক শিরোনামের।
কোঠায় চাপলে রং বাছার বাক্স খোলে। বাছলে সাইটের সব জায়গায় একসাথে বদলায়, আধা বদলে গিয়ে অদ্ভুত দেখাবে না।
সাদা আর কালো এখানে দেখানো হয় না, ইচ্ছে করেই: ওগুলো সাইটের কাঠামো, রঙের পছন্দ নয়। ওগুলো বদলালে লেখার রং আর ঘরের দাগ সব গোলমাল হয়ে যেত।
চার নম্বর: পেজের নাম আর শেয়ার
দুটো ঘর, আর দুটো নমুনা।
পেজের নাম হলো Google-এ যে লাইনটায় চাপ দিয়ে মানুষ ঢোকে, আর ব্রাউজারের ট্যাবে যেটা লেখা থাকে। এক লাইনের পরিচয় তার নিচের লাইনটা।
লেখার সাথে সাথে ডানে-বাঁয়ে দুটো নমুনা দেখানো হয়: Google-এ কেমন দেখাবে, আর ফেসবুকে শেয়ার করলে কেমন কার্ড হবে। নামটা লম্বা হয়ে কেটে যাচ্ছে কিনা ওখানেই দেখে নিন।
শেয়ারের ছবিটাও এখানে বদলানো যায়, আর সেটাও একটা ছবির ঘর, তাই আপলোড বাটন আছে।
পাঁচ নম্বর: লেখা, বাটন আর লিংক
সাইটের শিরোনাম, প্যারা, লিস্টের পয়েন্ট, সবই আলাদা ঘরে। দোকানের সাইট হলে প্রোডাক্টের নাম আর দামও আলাদা করে থাকে।
বাটনের জন্য দুটো ঘর: বাটনে কী লেখা থাকবে, আর বাটনে চাপলে কোথায় যাবে। দ্বিতীয়টার পাশে একটা ছোট বাটন আছে, চাপলে ঠিকানাটা নতুন ট্যাবে খুলে দেখায়।
সাইটের ভেতরের লিংক (যেমন #dam দিয়ে একই পাতার নিচে যাওয়া) এখানে দেখানো হয় না, ইচ্ছে করেই: ওগুলো পাতার কাঠামো, আর বদলালে নিজের মেনু নিজেই ভেঙে যায়।
ফোন নম্বর
ফোন নম্বরের ঘরটা একটু আলাদা। নম্বর বদলালে সাইটের সব জায়গায় বদলায়: যেখানে লেখা আছে সেখানে, tel: লিংকে, আর WhatsApp বাটনের নম্বরেও। একটা বদলে আরেকটা পুরোনো থেকে গেলে ক্রেতা ভুল নম্বরে ফোন করত, তাই দুটোই একসাথে যায়।
নম্বরটা ০১XXXXXXXXX আকারে দিন।
সেভ করা
নিচে সাদা একটা বার আটকে থাকে, তাতে সেভ করে লাইভ করুন বাটন আর কতগুলো বদল করেছেন তার হিসাব।
সাইট Publish করা থাকলে সেভ করলেই লাইভ সাইটে বসে যায়, আলাদা করে Publish চাপতে হয় না। অন্য কারও ফোনে পুরোনোটা বড়জোর এক মিনিট থাকতে পারে।
Publish করা না থাকলে বাটনে শুধু "সেভ করুন" লেখা থাকবে, আর বদলগুলো জমা থাকবে।
ভুল হলে ফেরানো
ঘরগুলোর নিচে আগের অবস্থায় ফেরান। চাপ দিলে একটা তালিকা খোলে: কখন কী বদল হয়েছিল, সবশেষ ২০টা।
যেকোনোটায় "এটাতে ফিরুন" চাপলে সাইট ওই অবস্থায় ফিরে যায়। এখনকার অবস্থাটাও জমা থাকে, তাই ফিরে গিয়ে আবার ফেরত আসা যায়। মানে হাত দেওয়ার ঝুঁকি নেই।
ফেরানোর পর লাইভ সাইটে বসাতে একবার Publish করতে হয়।
কোনটা এখানে হয় না
- নতুন সেকশন যোগ করা
- পাতার সাজ বা লেআউট বদলানো
- নতুন ফর্ম বা নতুন ধরনের অংশ বসানো
এগুলো বিল্ডারে বাংলায় বলে করাতে হয়, আর তাতে Token খরচ হয়। মোটা দাগে: যা আছে সেটা বদলানো এখানে, নতুন কিছু বানানো বিল্ডারে।