WordPress আর WooCommerce থেকে এলে
আমার WooCommerce দোকান কি BanglaCodes-এ আনা যাবে?
হুবহু WooCommerce চালানো যাবে না: ওটা চলে PHP আর MySQL দিয়ে, BanglaCodes-এর হোস্টিং static। দুটো ভালো পথ আছে। এক, দোকানটা এখানে নতুন করে বানানো (প্রোডাক্টের লিস্ট, কার্ট, অর্ডার ফর্ম), নিজের ডোমেইনে হোস্টিংয়ে অর্ডার সাইট ইনবক্সে জমা হয়, বছরে হোস্টিং ভাড়া লাগে না। দুই, WooCommerce যেখানে আছে রেখে এখানকার সুন্দর পেজ থেকে সরাসরি ওই checkout-এ লিংক করা।
সত্যি কথাটা আগে
WooCommerce একটা WordPress প্লাগইন, আর WordPress চলে PHP আর MySQL ডেটাবেস দিয়ে, মানে একটা সবসময় চালু সার্ভার লাগে। BanglaCodes-এর হোস্টিং static: HTML, CSS আর ব্রাউজারের JavaScript চলে, PHP বা ডেটাবেস চলে না। তাই আপনার WooCommerce ফোল্ডারটা এখানে তুলে দিলে দোকান হিসেবে চলবে না, আর আমরা সেটা লুকিয়ে রাখি না, ইম্পোর্ট করার সময়ই বলে দিই।

তবে "চলবে না" মানে "কিছু করার নেই" নয়। বেশিরভাগ ছোট দোকানের জন্য নিচের দুটোর একটা আসলে বেশি ভালো হয়।
পথ ১: দোকানটা এখানে নতুন করে বানান
বাংলায় বলে দিন কী কী প্রোডাক্ট, কত দাম, কীভাবে অর্ডার নিবেন। AI বানিয়ে দিবে: প্রোডাক্টের সাজানো লিস্ট, ছবি, কার্ট আর অর্ডার ফর্ম। লাইফটাইম হোস্টিং নিলে ফর্মের অর্ডার সাইট ড্যাশবোর্ডের ইনবক্সে জমা হয়, email-এ খবরও যায়, আর নতুন/দেখা/শেষ status দিয়ে গোছানো যায়।
কার জন্য ভালো: যাদের প্রোডাক্ট শ-খানেকের মধ্যে, যারা অর্ডার নেন WhatsApp বা ফোনে, আর ক্যাশ অন ডেলিভারিতে চলে। মানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ছোট দোকান।
কী পাবেন: বছরে হোস্টিং ভাড়া নেই (লাইফটাইম), প্লাগইন আপডেটের ঝামেলা নেই, হ্যাক হওয়ার ভয় নেই (কোনো ডেটাবেস বা login পেজই নেই), আর সাইট খোলে অনেক দ্রুত।
কী পাবেন না: সাইটের ভেতরে কার্ড পেমেন্ট, স্টক নিজে থেকে কমে যাওয়া, ক্রেতার account বা কুপন কোড। এগুলো লাগলে পথ ২।
পথ ২: দুটো পাশাপাশি চালান
WooCommerce যেখানে আছে সেখানেই থাক। BanglaCodes-এ বানান সামনের সুন্দর, দ্রুত পেজগুলো: হোমপেজ, অফারের ল্যান্ডিং পেজ, ব্লগ, ক্যাম্পেইনের পেজ। প্রতিটা "কিনুন" বাটন সরাসরি আপনার WooCommerce checkout বা প্রোডাক্ট পেজের লিংকে পাঠাবে।
বাংলায় এভাবে বলুন:
ঈদের অফারের একটা ল্যান্ডিং পেজ বানাও, ছয়টা প্রোডাক্টের কার্ড থাকবে। প্রতিটা "কিনুন" বাটন আমার দোকানের লিংকে যাবে: aiinbangla.com/product/shari-1 এভাবে।
কার জন্য ভালো: যাদের WooCommerce-এ কার্ড পেমেন্ট আর স্টক ম্যানেজমেন্ট দরকার, কিন্তু WordPress-এর পেজ ধীর বা বানানো কঠিন লাগে।
যা এখানে আনা যায় (আর যা যায় না)
| জিনিস | আনা যায়? |
| প্রোডাক্টের নাম, দাম, বর্ণনা, ছবি | হ্যাঁ, নতুন পেজে বসিয়ে নেওয়া যায় |
| ব্লগের লেখা | হ্যাঁ, সাইট ড্যাশবোর্ডের "পেজ ও ব্লগ"-এ (সব সাইটে, সংখ্যা প্ল্যান অনুযায়ী) |
| ডিজাইন/থিম | নতুন করে বানাতে হবে, PHP থিম চলে না |
| WooCommerce প্লাগইন, checkout, স্টক | না, ওগুলো সার্ভার লাগে |
| পুরনো অর্ডারের হিসাব | না, ওটা WooCommerce-এই থাক |
নতুনদের যত প্রশ্ন
আমার wp-content ফোল্ডারটা ইম্পোর্ট করলে কী হবে?
ফাইলগুলো ঢুকবে, কিন্তু publish করার সময় আমরা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিব যে এটা WordPress-এর কোড আর static হোস্টিংয়ে দোকান হিসেবে চলবে না। ছবিগুলো কাজে লাগতে পারে, বাকিটা নতুন করে বানানোই ভালো।
ডোমেইন কি একই রাখা যাবে?
যাবে। ডোমেইন আপনার, শুধু DNS-এ CNAME বদলে এখানে আনবেন ("নিজের ডোমেইন" গাইড দেখুন)। পথ ২-এ চাইলে shop.aiinbangla.com WooCommerce-এ রেখে মূল aiinbangla.com এখানে আনতে পারেন।
SEO নষ্ট হবে না তো?
পুরনো লিংকগুলো যেন নতুন পেজে যায়, সেটা খেয়াল রাখবেন। আর এখানকার পেজ দ্রুত খোলে, যেটা Google পছন্দ করে।