লোগো আর ভিজিটিং কার্ড

নিজের দোকানের লোগো আর ভিজিটিং কার্ড কিভাবে বানাবো?

লোগোর চিহ্নটা AI দিয়ে আঁকান, বাংলায় বর্ণনা দিলেই হয়, দিনে ২০টা পর্যন্ত ফ্রি, তবে ছবির ভেতরে কোনো লেখা চাইবেন না। নাম, পদবি আর ফোন নম্বরওয়ালা ভিজিটিং কার্ডের জন্য একটা কার্ডের পেজ বানাতে বলুন, সেখানে বাংলা লেখা নিখুঁত বসে আর PNG হয়ে নামে।

লোগো আর কার্ড, দুটো আলাদা কাজ

একটা লোগো হলো ছোট্ট একটা চিহ্ন, যেমন এক কাপ চা, একটা সুচ, একটা বইয়ের পেজ। সেখানে সাধারণত কোনো লেখা লাগে না, বা লাগলেও ইংরেজি। ভিজিটিং কার্ডে আবার আপনার নাম, পদবি, দোকানের নাম, ফোন নম্বর, সবই বাংলায় থাকতে পারে। এই পার্থক্যটাই ঠিক করে দেয় আপনি কোন পথে যাবেন।

ভিজিটিং কার্ডের দুই পিঠ

কেন লোগোর ছবিতে বাংলা লিখতে বলবেন না

AI যে ছবি আঁকে সেখানে বাংলা অক্ষর ঠিকভাবে গড়া যায় না। দেখতে বাংলার মতো লাগবে, কিন্তু কাছে গেলে দেখবেন যুক্তাক্ষর ভাঙা, কার উল্টো দিকে, কোনো কোনো অক্ষর একেবারে বানানো। তাই AI-কে বলুন শুধু চিহ্নটা আঁকতে, লেখা ছাড়া। নামটা পরে পোস্টার পেজে বসিয়ে নিবেন, তখন প্রতিটা অক্ষর নিখুঁত থাকবে।

ধাপে ধাপে, প্রথমে লোগো

ধাপ ১: বিল্ডারে যান, নাম দিন "আমার লোগো", "বানানো শুরু করুন" চাপুন।

ধাপ ২: চিহ্নটা কেমন হবে বাংলায় বলুন। কী জিনিস, কী রং, কতটা সরল, এই তিনটা বললেই যথেষ্ট।

আমার চায়ের দোকানের জন্য একটা লোগোর চিহ্ন বানাও। এক কাপ চা থেকে ধোঁয়া উঠছে, খুব সরল আঁকা, শুধু গাঢ় সবুজ আর সাদা রং, গোল একটা বৃত্তের ভেতরে। কোনো লেখা রাখবে না, শুধু চিহ্নটা।

ধাপ ৩: পছন্দ না হলে বদলে বলুন। "আরও সরল করো", "রংটা বাদামি করো", "বৃত্তের বদলে চৌকো করো"। কয়েকবার চেষ্টা করলেই মনের মতোটা পেয়ে যাবেন।

ধাপ ৪: পছন্দের চিহ্নটা রেখে দিন। এবার কার্ডের পালা।

এবার ভিজিটিং কার্ড

কার্ডের জন্য বিল্ডারকে বলুন একটা কার্ডের পেজ বানাতে, যেখানে আপনার সব তথ্য বাংলায় বসবে আর PNG হিসেবে নামবে। তথ্যগুলো প্রম্পটেই হুবহু লিখে দিন, নইলে AI নিজে থেকে নাম নম্বর বানিয়ে বসবে।

একটা ভিজিটিং কার্ডের পেজ বানাও, সাধারণ কার্ডের মাপে। বাঁ পাশে আমার লোগোর ছবিটা বসাও। ডান পাশে বাংলায় লেখা থাকবে, নাম "রহিম উদ্দিন", নিচে "স্বত্বাধিকারী, মামার চা", তারপর ফোন ০১৭XXXXXXXX আর ঠিকানা "মিরপুর ১০, ঢাকা"। রং সবুজ আর সাদা। বাংলা ফন্ট ঠিকভাবে বসাও, ছাপার উপযোগী বড় মাপে বানাও, আর PNG হিসেবে নামানোর বাটন দাও।

কার্ডের উল্টো পিঠও চাইতে পারেন, ওখানে শুধু লোগোটা মাঝখানে বড় করে রাখলে দেখতে খুব পরিপাটি লাগে।

আরও সুন্দর করার কৌশল

যেসব ভুল অনেকে করেন

এরপর কী করবেন

লোগো আর কার্ড হয়ে গেলে ওই একই রং আর চিহ্ন দিয়ে বাকি সব বানিয়ে ফেলুন, পোস্টার, ফেসবুক পোস্ট, ছোট ভিডিও। এক ধাঁচে সব থাকলে মানুষ দূর থেকেই আপনার দোকান চিনে ফেলে। কার্ডের PNG ফাইলটা ফোনে রেখে দিন, কেউ নম্বর চাইলে ছবিটাই পাঠিয়ে দিতে পারবেন।

নতুনদের যত প্রশ্ন

লোগোটা কি সত্যিই আমার হবে? পরে ঝামেলা হবে না?

আপনারই। যা বানান তার পুরো মালিকানা আপনার, যেখানে খুশি ব্যবহার করুন, আমরা কোনো দাবি করি না।

দোকানের সাইনবোর্ডেও কি এই লোগো চলবে?

চলবে। বড় মাপে নামিয়ে সাইনবোর্ডের দোকানে দিন, মাপ বললে সেই অনুপাতেই বানিয়ে দেওয়া হবে।

ভিজিটিং কার্ড ছাপাব কোথায়?

PNG-টা যেকোনো প্রিন্টের দোকানে দিলেই হবে, ওরা এই মাপ (৩.৫x২ ইঞ্চি) রোজ ছাপে।

এরপর পড়ুন