ব্লগ › লেখালেখি আর কাগজপত্র

সিভি, দরখাস্ত, বায়োডাটা আর প্রতিবেদন লেখার নিয়ম, বাংলায়

কাগজপত্র লেখার নিয়মগুলো স্কুলে একবার শেখানো হয়, তারপর জীবনে যখন সত্যিই দরকার পড়ে, চাকরির সিভি, ছুটির দরখাস্ত, বিয়ের বায়োডাটা, অফিসের প্রতিবেদন, তখন আর কোথাও লেখা থাকে না। ফলে বেশিরভাগ মানুষ কারও পুরোনো ফাইল কপি করে নেয়, ভুলগুলো সহ।

এখানে প্রতিটা লেখা একটা নির্দিষ্ট কাগজ ধরে: তার অংশগুলো কী কী, কোন ছকটা কার জন্য, কোন কথাটা লিখলে ক্ষতি হয়, আর শেষে একটা পূর্ণ নমুনা। সাথে প্রেজেন্টেশন বানানোর নিয়ম, আর বাংলা লেখা PDF-এ কেন ভেঙে যায় সেই পুরোনো সমস্যার সমাধান।

সিভির লেখাটা হাব, কারণ ওটাই সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রথম দরকার। বাকিগুলোর মধ্যে যেটা লাগবে সেটা খুলুন, প্রতিটা নিজে নিজেই সম্পূর্ণ।

এই বিষয়ের সব লেখা

প্রশ্নোত্তর

সিভি আর বায়োডাটার পার্থক্য কী?

সিভি চাকরির জন্য: শিক্ষা, কাজের অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা, যেটা দেখে কেউ আপনাকে ডাকবে। বায়োডাটা বাংলাদেশে মূলত বিয়ের জন্য: পরিবার, উচ্চতা, পেশা আর প্রত্যাশা। দুটোর ছক আলাদা, একটার জায়গায় আরেকটা দিলে পড়ার মানুষ প্রথম লাইনেই বুঝে ফেলে।

দরখাস্ত লেখার নিয়মে কয়টা অংশ থাকে?

ছয়টা: তারিখ, বরাবর, বিষয়, সম্বোধন, মূল বক্তব্য আর শেষে নিবেদক। ক্রমটা ঠিক রাখলে আর বিষয় এক লাইনে লিখলে দরখাস্ত পড়তে যাঁর সময় নেই তিনিও প্রথম দুই লাইনে বুঝে যান কী চাওয়া হয়েছে।

বাংলায় লেখা PDF করলে অক্ষর ভেঙে যায় কেন?

যে ফন্টে লেখা হয়েছে সেটা PDF-এর ভেতরে না থাকলে যুক্তাক্ষর আর কার ভেঙে যায়। যে টুলে PDF বানাচ্ছেন সেটা যদি ফন্টটা ফাইলের ভেতরে বসিয়ে দেয়, তাহলে যেকোনো ফোনে ঠিক দেখায়।

হাতে-কলমে করার গাইড